Wednesday, October 1, 2014

নতুন সকাল

Standard
ফেলে আসা সময়, দুর্বোধ্য অজানা মাদকতা- সে ফেলে আসা পথে,
কুড়িয়ে নেওয়া সব অর্বাচীন ভূল গুলো
জমিয়ে রেখেছি যত্ন করে স্মৃতির ডায়রির খাঁজে,
যদি কখনো ভাসিয়ে দেয় তোর চোখের জলে ....

আজ শহরের জনা জীর্ণ রাস্তায় হাঁটছে আমার সব ভুল
মনের চিলেকোঠা ছুঁয়ে আছে জমে থাকা যত জল,
প্রতিটি অঙ্গে আজ শুধু অপেক্ষা -- দূরের বিলাসী
হে মহিয়সী, আমি যে তার সুদুরের পিয়াসী।

জানি সব শেষ হয়ে গেছে অথবা হয়নি শুরু কিছু,
জীবনের নিরর্থকতা প্রেমহীন থেকে অর্থবহ হয় শুধু;

তবু মনের গহিনে গচ্ছিত রাখি সব স্মৃতি, দেখি বিদগ্ধ জোনাক --
কালো রাত শেষ হবে হয়ত, আবার শুরু হবে নতুন এক সকাল।

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!


Saturday, September 20, 2014

স্থবিরতা

Standard

আমি যে অপরাহ্ন চাইনি; একটি বিস্তৃত সকাল চেয়েছি মাত্র ।
রাত্রী শেষে তারাগুলো নিভূ নিভূ
আর আমার রঙ্গিন স্বপ্নগুলো ধোয়াটে সাদা কালো

ঐ দূর নক্ষত্রের কল্পনায় আমি বিলীন হই
আনমনে ধোয়াটে কাব্য গুলো লিখে রাখি।

পাখা চাই,
প্রজাপতির নয়, পিপড়ার পাখা,
উড়ে যাব আলোর শিখার দিকে,
জানি পুড়ে মরব-
তবু স্থবিরতা চাই না।

উষ্ণতার খোজে আমি,
শ্বাসরুদ্ধ নীরবতা
ঝাপ দিতে চাই আগুনে ,
জানি ভস্ম হয়ে যাব ক্ষনিকেই।
তবু স্থবিরতা চাইনা।

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!

Tuesday, September 16, 2014

ধূলি মাখা পৃথিবী

Standard
হারানো দিনের খোজে...
দুর্বোধ্য ছায়াদের মাঝে...
মিশে ছিলাম, মিশে আছি, মিশে থাকব...

ধুলো পড়া আমার ঘরে...
স্মৃতির অন্ধকারে...
আমার অগোছালো চুলের মতই এলোমেলো আমি...
ছিলাম জন্মান্তরে, আছি এখনো তেমনি, থাকব এভাবেই...

জীবন্ত স্মৃতির ভীড়ে...
প্রাগৈতিহাসিক কোন অজনা সুরে...
ভাঙ্গা এপিটাফের ক্ষয়ে যাওয়া লেখা আমি...
ছিলাম আজন্ম কাল ধরে, আছি অন্ধকারের নির্জীবতায়, থাকব অনন্ত কাল ধরে...

তবুও খুজতে এসো না...
আমার এই এলোমেলো ধূলি মাখা পৃথিবী ,তোমার জন্য নয়...
তাই মনে রেখ না আমায়...
প্রথম দিনের মতই অভিযোগহীন আমি...
আলোকিত আকাশের রহস্যময় কৃষ্ণবিবর আমি...
পথিকের ফেলে দেওয়া ছিন্ন কাগজের টুকরা আমি-
কেবল সরলরেখার সমাপ্তির শেষবিন্দুতে গাঢ় আমি...

আমি এখন সাদা খাতায়,
ইরেজারে মুঝে ফেলা আবছা পেন্সিলের দাগ...
যেকোন সময় মিলিয়ে যাবো...
আমার সত্ত্বায়, আমার অন্ধকারে...

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!


Friday, September 12, 2014

বিষন্নতা

Standard
বিষন্নতার যদি কোন দরজা থাকত, তাহলে দরজাটাকে তালা মেরে চাবি ছুড়ে ফেলে দিতাম সমুদ্রে।
হঠাত করেই কি যেন এক বিষণ্ণতা আর অস্থিরতা জমাট বাধে।
রিক্সার হুড ফেলে ছুটে চলা মানুষের মুখে

থেমে আসা ফিনফিনে বৃষ্টির আদর ভালো লাগেনা আর ।
দিনের আকাশে মেঘ করা আঁধার
আর মাঝে মাঝে উঁকি দেয়া রোদের নম্রতা
চোখ মেলে দেখি আনমনে,

মেঘ গুলো ঝড়তে থাকে তার আপন নিয়মেই,
বিষন্নতার কপাট যেন খুলে যায় অকারনেই,

হয়তো বৃষ্টি থামবে,
গাছের বৃষ্টি ধোয়া পাতাগুলো আরো সবুজে সাজবে,
তবু বিষন্নতা ছাড়বে না আমাকে ।

আমাকে নিয়ে ভেবোনা,
তোমাকে নিয়ে এখনো ভাবি,
তাই জীবনকে সাজানোর স্বাগতম বাণীটা এখনো দিতে পারিনা।
তুমি সুখে থেকো।

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!

Thursday, September 11, 2014

পুরোনো আমি

Standard
ঘরের কোনে মাকড়শার জাল মুখ খোলা কলম আকুতি জানায়,
"জেগে ওঠো, আবার লেখো নতুন করে " আমি আড়মোড়া ভেঙ্গে উঠি, ধুলো ঝেড়ে কবিতার খাতা খুলে বসি,

কিন্তু নতুন কোন লেখা আর আসেনা মনে
আমার কল্পনায়, আমার কান্নায়,
আমার হাসিতে সেই পুরোনো আমি

শেষের ডাকে সাড়া দিয়ে মহাকালের দেনা মিটানো
প্রাণের আর্তচিৎকারে ভীত আমি,-
অমর একটি মহাকাল চেয়েছি

সমাজে উঁচু নিচুর ভেদাভেদ আর পশুত্বের কালিমা দেখে
একটি নতুন সভ্যতার সন্ধান করেছি আমি
একটি কবিতার জন্মে তৃষ্ণার্ত আমি নতুন কবিতার জন্ম দিতে চেয়েছি

সোনালি গোধূলি আর রুপালি জ্যোছনা আমারো যেন হয়
সময়ের অলিতে গলিতে এটা ওটার মায়াজালে
পাওয়া না পাওয়ার সংমিশ্রণে
মনের একটি একটি করে কপাট উন্মোচন করেছি

ভূলগুলো মুছে জীবনকে ঘষে মেজে শুরু করতে গিয়ে অবাক নয়নে দেখি
জীবন কবে থেকে যেন শুরু হয়ে আছে
যতই নতুন এক আমি'র সন্ধান করিনা কেন
জন্ম থেকে জন্মান্তরে রয়ে গেছি সেই পুরোনো আমি

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!


Monday, August 11, 2014

শুন্যতা

Standard
দিন শেষে সঙ্গী সেই শুন্যতাই, অথচ এটা হওয়ার কথা ছিল না।
সময় ছিল সে এক উচ্ছলতায় ভরপুর, বৃত্ত হীন জমাট স্বপ্নের জীবন প্রবাহ,
বাধ ভাঙ্গা ঝড়ো বাতাসের মত ছুটে চলা নতুন দিনের আশায়।

আপন দর্পণে গন্তব্যের সীমা রেখা ছাড়িয়ে বাধন ছাড়া ঘুরির মত , মনের ডানা মেলে,
সূদুর আকাশ পানে অনন্ত সুখের নীলিমায় মিশে যাওয়া।
স্বপ্ন বুঝি এভাবেই ভাঙ্গে , নিষ্ঠুর আর নির্মম ভাবে।

চারিদিকে হাজারো কোলাহলের মাঝে হঠাৎ মনের মাঝে কি যেন এক শুন্যতা এসে ভর করে।
কোলাহল ভরা প্রান্তর, দূর আকাশের ভেসে যাওয়া পাখি গুলোর দিকে তাকিয়ে
অদ্ভূদ এক শুন্যতা কাজ করে মনের ভিতর।

মনের মাটিতে ছায়া ফেলে সেই পাখির মায়াময় মূর্তি

নিরবে চক্ষু তুলে তাকায়!
দীর্ঘ হতে দীর্ঘশ্বাসে তপ্ত হয় হৃদয়-
খোঁজে আকাশের ওপারে আকাশ,
বাতাসে প্রিয় গন্ধ, খোঁজে স্পর্শ, শিহরণ।
নিবিড় মেঘের দল খোঁজে কোলাহল।

খুঁজে পায় শুন্যতা, পাণ্ডুর, বিবর্ণতা ।
নিঃসঙ্গ চক্রের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে
দূরত্বের সব হিসেব।

সুতোর বাঁধন সব একে একে ছিঁড়ে যায়।
কষ্টের দাঁগও হয়তো মুছে যায় সময়ে।
অথবা, কষ্টের হিসেবই বা কেন?
কষ্ট আর কতোদিন বেঁচে থাকবে?

সেও শুন্যের পথে পাড়ি জমিয়েছে বহু আগেই।
স্বীকৃতির অভাবে বাকি সব অনুভূতিও
ধুয়ে মুছে যাবে হয়ত,
শুধু রেখে যাবে শুন্যতা, শুন্য স্থান।
আচ্ছা, শুন্যতার মাঝেও কি দূরত্ব মাপা যায়?
কতদূর গেলে পূর্ণ হবে শুন্যতা?

বৃত্তের পরিধিতে ঘুরেই চলেছি শুধু,
শত কোলাহল, শত ব্যাস্ততা,
দিন শেষে সেই একলা আমি আর আমার শুন্যতা।

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!

Saturday, August 2, 2014

নিরবতা

Standard
আমি তো প্রতিরাতেই নিরবতা চাইনি –
চাইনি নিজের কর্তব্য এড়িয়ে যেতে
আমি চেয়েছি কিছুটা শুন্যতা ,নিরবতা ,একটু অবসর ।।

শূন্যতা ঘিরে আছে আমার চারপাশ-
বিষণ্ণ মন,বিষণ্ণ যামিনী,

নিঃস্তব্ধতা খেলা করে কোলাহল মুখরিত ব্যস্ত নগরীর ভাজে ভাজে
কোথায় যেন ডাকাতিয়া সুরের করুন আর্তনাত কেঁদে ফেরে
আছরে পড়া কাঁচের ঝনঝন শব্দে ভেংগেচুরে তছনছ করে নিতে
মনের গভীরে বাসা বেঁধে থাকা এই নিঃস্বংগতা ভেঙ্গে দিতে।

শিরিষ কাগজে ঘসা স্কাল্পচারের মূর্তি খানি দেখি
অনভ্যাস্ত হাত বুলিয়ে চলি ভাস্কর্যের গায়ে
কোন এক বোদ্ধা খোঁজে কিংবা আমি খুঁজে বেড়াই
তোমার স্পর্শ ওই ভাস্কর্যের মূর্তির গায়।

একটু একটু করে যেন অবয়ব হয়ে ধরা পড় তুমি
ল্যাম্পোষ্টের আবছা আলোর মাঝে
তোমারই ছায়া যেন খুঁজে ফিরি আমি
আলোর দিশা রূপে আজো অন্ধকারের ভিরে।
স্বপ্নের মাঝে তুমি আছ, আছ তুমি আমারই কল্পনায়
হাত বাড়িয়ে আলো আধারে খুঁজি তোমায় ।

জানি আসবেনা—
আনমনে হাত চলে সিগারেটের বিসাক্ত ধোয়ার খোজে,
জলন্ত আক্ষেপে জ্বলতে থাকে হাতের ভাজে,
তারপর শেষ হয় এক সময়, আমিও শেষ হব একদিন এমনি ভাবে

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!

Saturday, July 26, 2014

ল্যাম্প পোষ্ট

Standard
যদি কোন গভীর রাতে আমি একলা কোনও ল্যাম্প পোষ্টের মত
থেমে যাই রাতের নিস্তব্দতায় অজস্র দুঃখের সাক্ষী হতে
অথবা শেষ রাতের নিঃসঙ্গ জ্যোৎস্নার মত একা হই
আমার কোন দুঃখ নেই


যদি আমার জীবন মানে থেমে যাওয়া হৃৎপিণ্ডের কাব্য হয়
জেনে রেখ আমি একলা , আমার কোনও দুঃখ নেই।
হয়ত আমার সারাটি রাত্রি যাবে প্রাগৈতিহাসিক দীর্ঘশ্বাসের মত।
ভোরের একটু আগে লগ্ন পেরোনো আঁধার
নিয়ে যাবে আমার শেষ নিঃশ্বাস।

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!

Wednesday, July 2, 2014

অন্ধকার নির্লজ্জ রাত

Standard
অন্ধকার নির্লজ্জ রাত
নির্লজ্জ রাত
তোমার বুকে মাথা রেখে তন্দ্রাছন্ন হই
আজ তুমি কেবলই রক্তে মাংসে গড়া নারী
তুমি আজ প্রেমিকা নও

– কোথায় হারিয়ে গেছে বনলতা সেন,
নারীর হৃদয় আজ নিরাসক্ত, নিথর ভাঙ্গা কাচের মত
-বাসি বকুল ফুলের মিষ্টিগন্ধ
মুছে গেছে তোমার হৃদয় থেকে।


-অলৌকিক হাসির স্রোত
শুঁকিয়ে গেছে প্রাগৈতিহাসিক অন্ধকারে।
-আজ প্রেম নেই পৃথিবীতে
কেবল কামনার লকলকে জিব।
-নাবালক চাঁদ তাই হাই তোলে

লৌকিক মেঘের আড়ালে।
-ক্লান্ত রাত্রির বুক ফালি ফালি করে
জেগে আছে আমার প্রেমার্ত চোখ।
-প্রবাহমান পৃথিবী আজ ইষৎ হাসে
নিথর মানুষ নিরংকুশ।

একবিংশ শতাব্দীর হৃদয়ে।
এখন আর অপেক্ষা নেই, নেই ব্যথিত হৃদয়।
নিরবিচ্ছিন্ন যৌনতায়,
প্রেম ডুবেছে মলীন মৌনতায়।

-পৃথিবী অর্থময়,
বন্দর পুরুষদের হৃদয় আচ্ছন্ন করে আছে
বানিজ্যিক ধূলো।
-তবুও দুঃখ আছে, দুঃখ হয়।
দুঃখিত ঘড়ির কাঁটা কখনো থামেনা
অস্থির ভাঙ্গা বাতাসেও।
তবে নির্লজ্জ আধারে তারা বদলে যায়
নির্বোধ বেদনায়।

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!

Wednesday, June 4, 2014

ভার্চুয়াল জগৎ

Standard
ফেসবুকের ভার্চুয়াল জগৎ টাকে কেমন যেন অদ্ভুত লাগে।
প্রতিদিন চিন্তা করি আজকে আর ফেসবুকে বসব না, কি হয় জানি না,
ব্রাউজার ওপেন করার সাথে সাথে কখন যে অন্য মনস্ক হয়ে ফেসবুকে ঢুকে পরি বুঝতেই পারিনা ।

তারপর অচেনা কোন এক পাখির প্রফাইল ঘাটতে থাকি মনের অজান্তে,
কখন যে ঘন্টা পেরিয়ে যায় শুধু একজনের প্রফাইলে বুঝতেও পারি না ,

আবার লগ আউট করি, কিন্তু লগ আউট করার পর বুঝতে পারি-

এই ভার্চুয়াল জগতের কোন লগ আউট বাটন নেই ।
অনেক সময় নিজের আবেগ গুলোকে গলা টিপে মেরে ফেলতে ইচ্ছে করে
কিন্তু পারিনা — থাকি শুধু অপেক্ষায়–
কিন্তু কই অপেক্ষা তো আর শেষ হয় না।।
যার জন্য অপেক্ষা করি সে হয়ত সবার খোজ নেয়… তারপর নজরে আসে আমার নাম,

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!