Monday, August 11, 2014

শুন্যতা

Standard
দিন শেষে সঙ্গী সেই শুন্যতাই, অথচ এটা হওয়ার কথা ছিল না।
সময় ছিল সে এক উচ্ছলতায় ভরপুর, বৃত্ত হীন জমাট স্বপ্নের জীবন প্রবাহ,
বাধ ভাঙ্গা ঝড়ো বাতাসের মত ছুটে চলা নতুন দিনের আশায়।

আপন দর্পণে গন্তব্যের সীমা রেখা ছাড়িয়ে বাধন ছাড়া ঘুরির মত , মনের ডানা মেলে,
সূদুর আকাশ পানে অনন্ত সুখের নীলিমায় মিশে যাওয়া।
স্বপ্ন বুঝি এভাবেই ভাঙ্গে , নিষ্ঠুর আর নির্মম ভাবে।

চারিদিকে হাজারো কোলাহলের মাঝে হঠাৎ মনের মাঝে কি যেন এক শুন্যতা এসে ভর করে।
কোলাহল ভরা প্রান্তর, দূর আকাশের ভেসে যাওয়া পাখি গুলোর দিকে তাকিয়ে
অদ্ভূদ এক শুন্যতা কাজ করে মনের ভিতর।

মনের মাটিতে ছায়া ফেলে সেই পাখির মায়াময় মূর্তি

নিরবে চক্ষু তুলে তাকায়!
দীর্ঘ হতে দীর্ঘশ্বাসে তপ্ত হয় হৃদয়-
খোঁজে আকাশের ওপারে আকাশ,
বাতাসে প্রিয় গন্ধ, খোঁজে স্পর্শ, শিহরণ।
নিবিড় মেঘের দল খোঁজে কোলাহল।

খুঁজে পায় শুন্যতা, পাণ্ডুর, বিবর্ণতা ।
নিঃসঙ্গ চক্রের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে
দূরত্বের সব হিসেব।

সুতোর বাঁধন সব একে একে ছিঁড়ে যায়।
কষ্টের দাঁগও হয়তো মুছে যায় সময়ে।
অথবা, কষ্টের হিসেবই বা কেন?
কষ্ট আর কতোদিন বেঁচে থাকবে?

সেও শুন্যের পথে পাড়ি জমিয়েছে বহু আগেই।
স্বীকৃতির অভাবে বাকি সব অনুভূতিও
ধুয়ে মুছে যাবে হয়ত,
শুধু রেখে যাবে শুন্যতা, শুন্য স্থান।
আচ্ছা, শুন্যতার মাঝেও কি দূরত্ব মাপা যায়?
কতদূর গেলে পূর্ণ হবে শুন্যতা?

বৃত্তের পরিধিতে ঘুরেই চলেছি শুধু,
শত কোলাহল, শত ব্যাস্ততা,
দিন শেষে সেই একলা আমি আর আমার শুন্যতা।

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!

Saturday, August 2, 2014

নিরবতা

Standard
আমি তো প্রতিরাতেই নিরবতা চাইনি –
চাইনি নিজের কর্তব্য এড়িয়ে যেতে
আমি চেয়েছি কিছুটা শুন্যতা ,নিরবতা ,একটু অবসর ।।

শূন্যতা ঘিরে আছে আমার চারপাশ-
বিষণ্ণ মন,বিষণ্ণ যামিনী,

নিঃস্তব্ধতা খেলা করে কোলাহল মুখরিত ব্যস্ত নগরীর ভাজে ভাজে
কোথায় যেন ডাকাতিয়া সুরের করুন আর্তনাত কেঁদে ফেরে
আছরে পড়া কাঁচের ঝনঝন শব্দে ভেংগেচুরে তছনছ করে নিতে
মনের গভীরে বাসা বেঁধে থাকা এই নিঃস্বংগতা ভেঙ্গে দিতে।

শিরিষ কাগজে ঘসা স্কাল্পচারের মূর্তি খানি দেখি
অনভ্যাস্ত হাত বুলিয়ে চলি ভাস্কর্যের গায়ে
কোন এক বোদ্ধা খোঁজে কিংবা আমি খুঁজে বেড়াই
তোমার স্পর্শ ওই ভাস্কর্যের মূর্তির গায়।

একটু একটু করে যেন অবয়ব হয়ে ধরা পড় তুমি
ল্যাম্পোষ্টের আবছা আলোর মাঝে
তোমারই ছায়া যেন খুঁজে ফিরি আমি
আলোর দিশা রূপে আজো অন্ধকারের ভিরে।
স্বপ্নের মাঝে তুমি আছ, আছ তুমি আমারই কল্পনায়
হাত বাড়িয়ে আলো আধারে খুঁজি তোমায় ।

জানি আসবেনা—
আনমনে হাত চলে সিগারেটের বিসাক্ত ধোয়ার খোজে,
জলন্ত আক্ষেপে জ্বলতে থাকে হাতের ভাজে,
তারপর শেষ হয় এক সময়, আমিও শেষ হব একদিন এমনি ভাবে

লেখকঃ- সাদিক রাহমান

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে হৃদয়ে আচড় কেটে যায় । কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তি গুলোকেও । যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো, সেও কেমন যেন অপরিচিত হয়ে যায় ; কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তনে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায় । হয়তো এটাই রীতি !!